ভাঙ্গনের পথে লাইটার ফাউন্ডেশন

লাইটার ফাউন্ডেশন

অনেকদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মানবিক কাজের নামে প্রতারণা চালিয়ে আসছিলো লাইটার ফাউন্ডেশন নামে একটি গ্রুপ। যার অঙ্গ হিসেবে পরিচিত মুক্তার ইবনে রফিক, পেশায় ভবঘুরে এবং পার্টটাইম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় নিয়োজিত আছেন তিনি। ক্লিক দিয়ে টাকা কামাই করে চলে তার সংসার। শুনে নিশ্চয়ই অবাক হয়ে ভাবছেন, কিভাবে এমন একজন হতদরিদ্র লোক এভাবে ঘুরে দাঁড়ালো, যে কিনা বছরতিনেক আগেও বন্ধুদের পকেট হাতাতো সিগারেটের সন্ধানে। কিভাবে মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে সে হয়ে উঠেছে ধনকুবের। কিভাবে তিনি হয়ে গেলেন একটি ফাউন্ডেশনের পরিচালক !

অনলাইনে মানবিক কাজের জন্য অসহায় দুঃস্থদের নামে প্রায়ই বিভিন্ন প্রবাসী বন্ধুদের কাছে টাকা চাইতেন মুক্তার ইবনে রফিক সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। হালের নামকরা কিছু মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের বশে এনে তাদেরকে ভুলভাল বুঝিয়ে সেই জনপ্রিয়তা ব্যবহার করেছিলেন নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে। নিজেরা রাতারাতি হয়ে গেছেন কোটি টাকার মালিক। তাহলে আজ হঠাৎ কি হলো তাদের মাঝে?

কথায় আছে, সত্য কখনো চাপা থাকেনা। হলোও তাই ! টাকা ভাগাভাগির বিষয়কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে এই ফাউন্ডেশনটির ভেতর ব্যক্তিগত কোন্দল। গতকাল এ নিয়ে হাতাহাতিও হয় গ্রুপটির প্রধান মুক্তার ইবনে রফিক ও নাহিদ হাসান হিমুর মধ্যে। এ নিয়ে মুক্তারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি পুরো ব্যাপারটিই রহস্যজনক ভাবে এড়িয়ে যান।

মুক্তার বলেন, “আমরা তো বন্ধু। মারামারি করবো কেনো। আমাদের মাঝে কোনো সমস্যা নেই। তাছাড়া আমরা সব টাকা যথাযথ কাজে ইউজ করি। কারো টাকা মারিনা।”

এসময় তাকে নাহিদ হাসান হিমুর দিকে তাকিয়ে চোখ টিপ দিতে দেখা যায়।